প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সারা দেশের জনজীবন। রোদ আর ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নগর জীবনে উঠছে নাভিশ্বাস। এ অবস্থায় ডায়রিয়াসহ দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীদের ভিড়।বর্ষায় নেই বৃষ্টির দেখা, উল্টো খা খা রোদ যেন পুড়িয়ে দিচ্ছে সব। তাই ছাতা হাতে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। তীব্র গরমে নাভিশ্বাস উঠছে মানুষের। ফুটপাথের আখের রসে স্বস্তি খোঁজার চেষ্টা করছেন অনেকে।
রাজশাহীতে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। স্থবিরতা নেমে এসেছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে। অবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আকাশ মেঘলা থাকায় ও বাতাসের আদ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।
নওগাঁয় প্রচণ্ড গরমে বেড়েছে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে ভিড় করছেন রোগীরা। জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ডায়রিয়া, জ্বর ও ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। হাসপাতালের বেড খালি না থাকায় অনেকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে অব্যাহত রয়েছে তীব্র গরম। গত তিন দিন ধরে জেলায় ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। এতে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েন কর্মজীবী মানুষ।
এছাড়া, দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভিড় করছেন অনেকে।











