কড়াইল বস্তিতে সন্ত্রাসীদের হামলায় আল আমিন নামে যুবলীগ নেতা নিহত হওয়ার ঘটনায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আরো ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে দু’জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গত বুধবার (১৭ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বনানী এলাকার কড়াইল বস্তিতে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় আল আমীনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলায় তিন নারীসহ ছয় জন আহত হন।
জানা গেছে, মসজিদের ভেতরে কোপানো হয় আল আমিন ও তার ভাইকে।
মামলার এজাহারে বাদীর আরেক ভাই জুয়েল অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন সকালে কড়াইলের এরশাদ স্কুল মাঠে চাচাতো ভাই জসিম উদ্দিনের ছেলে নিহাদ সরকারকে মারধর করে স্থানীয় নুর আলমের ছেলে তুষার। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় নুর আলম আমাকে হুমকি দেন। পরে নুর আলমের নেতৃত্বে মোহাম্মদ আলী, মো. খাজাসহ ২২ জন আমাদের দুই ভাইয়ের ওপর হামলা করে।









