Home তথ্যপ্রযুক্তি এলআইসিটি প্রজেক্টের সাথে পিপলএনটেক’র কার্যক্রম শুরু

এলআইসিটি প্রজেক্টের সাথে পিপলএনটেক’র কার্যক্রম শুরু

গত ১০ ডিসেম্বর (সোমবার) পিপলএনটেক লিমিটেড এর বাংলাদেশ অফিসে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাথে আনুষ্ঠানিক ভাবে পিপলএনটেকের ‘এলআইসিটি’ প্রজেক্ট উদ্বোধন করা হয়।

পিপলএনটেক’র অডিটোরিয়ামে ‘এলআইসিটি’ প্রজেক্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেক কাটেন বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি মন্ত্রনালয়ের এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক জনাব রেজাউল করিম। এবং পিপলএনটেক’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড: সাজ্জাদ হোসেন,আইসিটি মন্ত্রনালয়ের ‘এলআইসিটি’ কনস্যালটেন্ট জুবায়ের আলম ও পিপলএনটেক’র পরিচালক লায়ন মো: ইউসুফ খান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি মন্ডলীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান পিপলএনটেক’র ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন, আইসিটি মন্ত্রনালয়ের ‘এলআইসিটি’ কনস্যালটেন্ট জনাব জুবায়ের আলম।

তিনি বলেন, দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে বর্তমান সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে দেশের সার্বিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হবে। আইসিটি মন্ত্রনালয়ের স্কিল ডেভলপমেন্টের গৃহিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এক একজন ট্রেইনী উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, গতানুগতিক ট্রেনিং থেকে ‘এলআইসিটি’ ট্রেনিং সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ এই ট্রেনিংয়ে চাকুরীর নিশ্চয়তা আছে। তাই তিনি ট্রেনিংয়ে শিক্ষার্থীদের মনযোগী হবার পরামর্শ দেন।

পিপলএনটেক’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড: সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ইন্টারনেট মানুষের জীবনের গতিকে বাড়িয়ে দিয়েছে। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের ঘটে যাওয়া ঘটনা মানুষ আজ মুহুর্তের মধ্যে জেনে যাচ্ছে।

আইসিটি মন্ত্রনালয়ের গৃহিত কর্মকান্ডের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পিপলএনটেক’র মতো আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রতিষ্ঠানে ট্রেনিং করার সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য তিনি শিক্ষার্থীদেরকে অনুরোধ করেন। 

পিপলএনটেক’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ তার বক্তব্যে বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টার গৃহিত পদক্ষেপের ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ স্লোগানকে বুকে ধারণ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়েছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা এখন সবাই ভোগ করছে।

আমেরিকার অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, সফটওয়্যার টেস্টিং ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্টরা আমেরিকাতে উচ্চপদে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরী করছে। মেধার পরিপূর্ণতাব্যবহার করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদেরকে নির্দেশনা দেন। শিক্ষার্থীদের উৎসুক চোখের প্রতি দৃষ্টিপাত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি ১০ বছর পর আপনাদের মধ্যে থেকেই আইটি সেক্টরের একএকজন উদ্যোক্তা বের হবে।

 আইসিটি মন্ত্রনালয়ের এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক জনাব রেজাউল করিম, তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ভাগ্যবান বলে উল্লেখ করেন।

এ কারণে তিনি জানান, একদিকে তারা এলআইসিটি ট্রেনিং করার সুযোগ পেয়েছেন, অন্যদিকে তারা পিপলএনটেকে’র মতো আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে ট্রেনিং করার সুযোগ পেয়েছেন। ট্রেনিং শেষ করা পর্যন্ত শিক্ষর্থীদের এই ইচ্ছাশক্তি অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনযোগ ও একাগ্রতাকে কাজে লাগিয়ে আইটি খাতে এই শিক্ষার্থীরা দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি পিপলএনটেক’কে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা পিপলএনটেক’র অফিস ও ল্যাব ঘুরে দেখেন এবং কার্যক্রম দেখে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী এবং পিপলএনটেক’র কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here