Home Blog Page 7

ক্ষমতায় আসতে অন্ধকার গলি খুঁজছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি পরাজয়ের ভয়ে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তারা জনগণের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষমতায় আসার জন্য অন্ধকার গলি খুঁজছে। তারা জানে জনগণ তাদের বর্জন করেছে। এ কারণেই তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চায় না। তাই, তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে ক্ষমতা যাওয়ার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজছে।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দানকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন নির্বাচনে আলোর পথ এড়িয়ে অন্ধকারের গলির দিকে তাকিয়ে আছে। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। তারা এখন নির্বাচন বাতিলের দাবি করছে।
২০০৮ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট মাত্র ৩০টি আসন পেয়েছিল। অপরদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসন পেয়েছিল। তখন থেকেই তারা কোনো নির্বাচনে আসতে চায় না। তারা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনে আগুন লাগিয়ে মানুষকে পুড়িয়ে মারছে। তারা যত বেশি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসন্ত্রাস করবে, জনগণ ততবেশি তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি আরও বলেন, কাজেই তারা জানে যে, জনগণ বিএনপি-জামায়াত জোটকে বর্জন করেছে। সে জন্য নির্বাচন করতে চায় না। এজন্যই নির্বাচন বানচাল করে কীভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায় তারা সেই পথ খুঁজে বেড়ায়। তারা অন্ধকার গলি খুঁজে বেড়িয়ে আলো ঝলমল নির্বাচন আর জনগণের পথ হারিয়ে ফেলে। তারা নিজেরা অফিসে তালা দেয়, আবার নিজেরাই ভাঙ্গে। এ নিয়ে আবার গর্ববোধ করে যে, চাবি হারিয়েছে। চাবি গেল কোথায়? তালাতো তাদেরই দেওয়া ছিল। তাদের চাবি খোয়া যাবে, চাবি হারাবে এবং তারা পথও হারাবে। তারা পথ হারানো পথিক হয়ে গেছে।
সরকারপ্রধান বলেন, তাদের একটাই দক্ষতা আছে, অগ্নিসন্ত্রাস, বাসে আগুন, লঞ্চে ট্রেনে আগুন দেওয়া, রেলের লাইন খুলে দিয়ে, রেলের পাত খুলে ফেলে মানুষ হত্যা করা। মানুষ মারার ফাঁদ পাতায় তারা ওস্তাদ। তাদেরকে জনগণ শুধু নির্বাচন নয়, বারবারই তারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে এবং হারার ভয়েই নির্বাচন করেনি। কিন্তু জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন।
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমরা ফিলিস্তিনের জনগণের পক্ষে রয়েছি। সেখানে নারী হত্যা ও শিশু হত্যা হচ্ছে, যা গণহত্যার শামিল। আমরা এর তীব্র নিন্দাও জানিয়েছি। কিছু সহযোগিতাও পাঠানো হয়েছে এবং আরও পাঠানো হবে। তিনি এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধের জন্য বিভিন্ন ফোরামে, যখনি বিদেশে গিয়েছেন কথা বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
বিশ্বে চলমান অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন ফোরামে যেখানে কথা বলেছি, সেখানেই অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে এই অস্ত্রের টাকা শিশুদের খাদ্য, শিশুদের চিকিৎসা এবং তাদের শিক্ষার জন্য ও মানবকল্যাণে ব্যয় করার কথা বলেছি।  যেসব দেশ অস্ত্রের জন্য টাকা ব্যয় করছে, সেগুলো তো সে দেশের জনগণ যে ট্যাক্স দেয়, সেই ট্যাক্সেরই টাকা। কাজেই তাদের টাকা ধ্বংসের জন্য কেন ব্যয় হবে?
প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যদি অনলাইনে ব্যাংকিংয়ের সুযোগ নিয়ে টাকাটা পাঠায়, তাহলে যেটুকু পরিবারের জন্য খরচ হবে… বাকিটা তার অ্যাকাউন্টে জমা থাকবে এবং নিজেরও একটা ভরসার জায়গা থাকবে। তিনি তার সরকারের চালু করা সার্বজনীন পেনশন স্কিম এবং প্রবাসী পেনশন স্কিম গ্রহণ করার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তাপমাত্রা ১০-এর নিচে নামলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ হতে পারে

0
তাপমাত্রা বেশি কমে গেলে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ করার বিষয়ে আজ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রাথমিকের বিষয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা আসেনি।
তবে, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে এলে সংশ্লিষ্ট জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. উত্তম কুমার দাশ।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে ঢাকা পোস্টের প্রশ্নের জবাবে উত্তম কুমার বলেন, স্কুল বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। আমরা প্রতিদিন আবহাওয়ার বুলেটিন দেখছি। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে তখন পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।
এদিকে, তীব্র শীতে শিশুরা ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল বন্ধে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা যাবে বলে ওই নির্দেশনায় বলা হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরীর সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান এ শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে মর্মে জানা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে (সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রমাণক অনুযায়ী) নেমে যাবে, আঞ্চলিক উপপরিচালকরা ওই সব জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তদূর্ধ্ব না হওয়া পর্যন্ত) রাখার নির্দেশনা প্রদান করবেন।

বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা সৌদির

0
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের কয়েকটি দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ফি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে।
যেসব দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ফি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব, তার মধ্যে আছে বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, উগান্ডা, কেনিয়া এবং ইথিওপিয়া। সৌদির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় আগের নির্ধারিত ফি পরিবর্তন করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ফি সাড়ে ১১ হাজার থেকে ১৩ হাজার সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি প্রায় ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৭ থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৬৭ টাকা।
এছাড়া ফিলিপাইনের নাগরিকদের জন্য ১৪ হাজার ৭০০ থেকে ১৫ হাজার ৯০০, শ্রীলঙ্কার ১৩ হাজার ৮০০ থেকে ১৫ হাজার, কেনিয়ার ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ৮৭০, উগান্ডার ৮ হাজার ৩০০ থেকে সাড়ে ৯ হাজার, এবং ইথিওপিয়ার ৫ হাজার ৯০০ থেকে ৬ হাজার ৯০০ সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিয়োগ খাতের পরিবর্তনশীল ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। এ ছাড়াও সৌদির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় পূর্বে লাইসেন্সপ্রাপ্ত নিয়োগকারী সংস্থা এবং অফিসগুলোকে নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগে ফি’র সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে।
সিয়েরা লিওন এবং বুরুন্ডি থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ছাড়া সাড়ে ৭ হাজার সৌদি রিয়াল। আর থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে তা ১০ হাজার রিয়াল।
মন্ত্রণালয় বলছে, এই সিদ্ধান্ত সব ধরনের পরিষেবা, শ্রম বাজারের পরিবেশের উন্নয়ন এবং এর চাহিদা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের বৃহত্তর লক্ষ্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করে। গত ৮ জানুয়ারি কুয়েতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী মোহাম্মদ আল আইবান ফি নির্ধারণের বিষয়ে নতুন এক নির্দেশনা জারি করেন।
কুয়েতের সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়, নতুন ফি কাঠামোতে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোর প্রত্যেক গৃহকর্মীর জন্য ৭৫০ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি ২ লাখ ৬৭ হাজার ১৪০ টাকা) ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য এই ফি ৫৭৫ কুয়েতি দিনার। এছাড়া স্পন্সরের সরবরাহ করা বিশেষ পাসপোর্টধারীদের জন্য ৩৫০ কুয়েতি দিনার ফি নির্ধারণ করেছে কুয়েত।
কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর সিভিল ইনফরমেশনের (পিএসিআই) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুয়েতে ৮ লাখ ১১ হাজার ৩০৭ জন নিবন্ধিত গৃহকর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে দেশটিতে সর্বাধিক সংখ্যক নিবন্ধিত গৃহকর্মী ভারতীয়। কুয়েতে ভারতীয় গৃহকর্মী রয়েছেন ৩ লাখ ৬১ হাজার ২২২ জন। এছাড়া দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফিলিপাইনের ২ লাখ ১ হাজার ১১০ জন নাগরিক গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।
এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। কুয়েতে লঙ্কান গৃহকর্মী আছেন ১ লাখ ২ হাজার ৬৮৫ জন। এছাড়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশটিতে ৮৫ হাজার ৯৮৯ জন বাংলাদেশি গৃহকর্মীর কাজে নিযুক্ত আছেন।

গাজা ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে : ইসরায়েল

0
গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান ও স্থল বাহিনীর অভিযান শেষে উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ ফের ফিলিস্তিনিদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালেন্ত।
রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত সেই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গ্যালেন্ত বলেন, ‘গাজা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড। ফিলিস্তিনিরা সেখানে বসবাস করেন এবং ভবিষ্যতেও উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাদের হাতেই। গাজার ভবিষ্যৎ সরকার অবশ্যই সেখান থেকেই উদ্ভূত হবে।’
‘আমরা এটুকু বলতে পারি যে আমাদের অভিযান শেষ হওয়ার পর গাজা থেকে আর কোনো নাশকতার হুমকি আসবে না। সেই সঙ্গে আরও বলতে পারি, একটি সশস্ত্র সামরিক গোষ্ঠী হিসেবে হামাস আর গাজা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, গাজায় ভবিষ্যতে বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা করছে ইসরায়েল।
২০০৭ সাল থেকে গাজায় ক্ষমতাসীন আছে হামাস। সশস্ত্র এই রাজনৈতিক গোষ্ঠীটি ফিলিস্তিনের অপর অংশ পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন প্যালেস্টাইনিয়ান অথরিটি (পিএ) বা ফাতাহ সরকারের বিরোধী। পিএ দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে আস্থাশীল হলেও হামাস তাতে বিশ্বাসী নয়। নীতিগত ভাবে এই গোষ্ঠীটি ইসরালকে নির্মূল করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে

0
চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ। তিনি বলেন, আজ শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাপমাত্রা কম থাকলেও মৌলভীবাজারের সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলা শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম ও চা বাগানে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। বিশেষ করে চা বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালবেলা কাজে বের হতে দেখা গেছে চা শ্রমিকদের।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, শ্রীমঙ্গলে শীত মৌসুমে চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেশি কষ্ট পান। অন্যান্য বছরের মতো এ বছর শীত মৌসুমে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি এখানে।

২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫০২৪ : বিআরটিএ

0
সদ্য বিদায়ী ২০২৩ সালে সড়কে ৫ হাজার ৪৯৫টি দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪ জন নিহত ও ৭ হাজার ৪৯৫ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার। বিআরটিএর বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে সারা দেশের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে সংস্থাটি।
নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ৩২২ দুর্ঘটনায় নিহত ৩৩৩ জন ও আহত হন ৩৩৬ জন; ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০৮ দুর্ঘটনায় নিহত ৩০৩ ও আহত ৪১৬ জন; মার্চ মাসে ৩৮৭ দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৫ ও আহত ৬৮৮; এপ্রিল মাসে ৪৭৬ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৫৯ ও আহত ৭০৫ জন; মে মাসে ৪৮৩ দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪ ও আহত ৬৪৯ জন; জুন মাসে ৫৬২ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৪ ও আহত ৭৮৫ জন; জুলাই ৫৬৬ দুর্ঘটনায় ৫৩৩ ও ৯৩৪ জন; আগস্ট মাসে ৪৫৮ দুর্ঘটনায় নিহত ৩৭৬ ও আহত ৬৯৫ জন; সেপ্টেম্বর মাসে ৪৫৪ দুর্ঘটনায় নিহত ৪১০ ও আহত ৬০৯ জন; অক্টোবর মাসে ৪৩৭ দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪ ও আহত ৪৯২ জন; নভেম্বর মাসে ৫৫৯ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৭০ ও আহত ৫৮১ জন এবং ডিসেম্বর মাসে ৪৮৩ দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন নিহত ও ৬৪১ জন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত মোট ৭ হাজার ৮৩৭টি মোটরযানের মধ্যে মোটরকার/জিপ ২০৬টি, বাস/মিনিবাস ১ হাজার ৮৩টি, ট্রাক/কাভার্ডভ্যান ১৩৮৯টি, পিকআপ ৩৭০টি, মাইক্রোবাস ২২৬টি, অ্যাম্বুলেন্স ১৬১টি, মোটরসাইকেল ১ হাজার ৭৪৭টি, ভ্যান ২৩০টি,  ট্রাক্টর ১২৮টি, ইজিবাইক ২১৭টি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ৪১৫টি, অটোরিকশা ৪৯৭টি এবং অন্যান্য যান ১ হাজার ১৬৮টি রয়েছে।

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল : হাইকোর্ট

0
গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজের রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১০ জানুয়ারি এ রায় দিয়েছিলেন।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, আমরা গুরুত্বের সঙ্গে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক বিবেচনা করেছি এবং রেকর্ডটি পর্যবেক্ষণ করেছি। মামলার নথি থেকে এটা স্পষ্ট বোঝা যায় যে, বিচারিক আদালত সিডিটি দেখেছে এবং অভিযুক্ত আবেদনকারীর সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে এই মামলায়। তদুপরি, মামলাটি তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে এখনও তদন্তাধীন থাকায় আমরা বলতে পারি যে, বিশেষ করে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা এবং ওই বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশের অভিযোগগুলো সত্যিই অত্যন্ত গুরুতর। প্রধান বিচারপতি প্রজাতন্ত্রের তিনটি অঙ্গের একটির প্রধান। তাই প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে আমরা মনে করি।
রায়ে বলা হয়েছে, আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান বিচারপতির বাসভবন থেকে অনেক দূরে ছিলেন। কিন্তু বরেন্দ্র কুমার ঘোষ এবং অন্যান্য মামলায় (প্রিভি কাউন্সিল, ২৩ অক্টোবর ১৯৪২) যা পোস্ট অফিস কেস নামে পরিচিত) সিদ্ধান্ত যে একজন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা দেওয়ার কারণে  দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে দায়বদ্ধ হতে পারে। এমনকি সেই প্ররোচনা দূরবর্তী স্থান থেকে হলেও। মেজর মো. বজলুল হুদা (আর্টিলারি) এবং অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র মামলার  ক্ষেত্রেও একই দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। আমরা মনে করি যে একজন ব্যক্তি তার অনুসারীদের অনেক দূর থেকে আদেশ দিতে পারেন।
আদালত রায়ে বলেন, মামলার শুনানিতে মির্জা ফখরুলের আইনজীবীরা বলেছেন, আবেদনকারী অত্যন্ত অসুস্থ। এই দাবিটি এই দাবির বিরুদ্ধে যায় যে তিনি প্রধান অতিথি হিসাবে একটি বিশাল ভূমিকা পালন করেছিলেন যা একজন গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। আমাদের অবশ্যই তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত না করে বলতে হবে যে তার জড়িত থাকার বিষয়ে কিছু অন্তর্নিহিত স্বীকারোক্তি রয়েছে।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আরো বলা হয়েছে, অভিযুক্ত আবেদনকারী (মির্জা ফখরুল) দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন করছেন, যাকে তিনি জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলন দাবি করে আসছেন। দুর্ভাগ্যবশত, বিগত কয়েক মাসে দেখা গেছে যে কথিত ওই ভোটাধিকারের দাবি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টিতে যুক্ত হয়েছে। যাতে প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনকারী সরকারি ও ব্যক্তিগত যানবাহন, পুলিশের গাড়িতে হামলার মতো ঘটনা রয়েছে। সংক্ষেপে বলা যায়, কথিত আন্দোলনকারীরাই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। আমরা এসব অযৌক্তিক ও ধ্বংসাত্মক ঘটনা বিবেচনায় নিয়েছি, যেগুলো দৃশ্যত দেশে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বস্তুত দেশ ও দেশের জনগণকে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
রায়ে আদালত বলেছেন, আবেদনকারী বিপর্যয়কর ও উচ্ছৃঙ্খল এসব ঘটনার পরিকল্পনাকারী বা তার কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়ে কেবল সুষ্ঠু তদন্তের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। তদন্তের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতে এই পর্যায়ে তার মুক্তির জন্য জামিন দেওয়া সহায়ক হবে না বলে আমরা মনে করছি। মামলায় কিছু ধারা আছে জামিন অযোগ্য। প্রজাতন্ত্র ও জনগণের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা রুলটি খারিজ করছি। তবে আবেদনকারী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   কোনো  অসুস্থতায় ভুগলে তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিচ্ছি।
এর আগে গত ১০ জানুয়ারি ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাটবাজার, স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ

0
ঢাকা-গাজীপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে সব হাটবাজার, স্থাপনা, ময়লার ভাগাড়, অননুমোদিত যানবাহন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে অপসারণ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে নাগরিকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সারা দেশের মহাসড়কে থাকা স্থাপনা, হাটবাজার, ভটভটি, নসিমন-করিমন জাতীয় যানবাহন অপসারণে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ নির্দেশ দেন।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ, হাইওয়ে পুলিশের প্রধানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

0
সারাদেশে লাইসেন্সবিহীন বেসরকারি হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, নিজেরাই যদি লাইসেন্স ছাড়া ক্লিনিক-হাসপাতালগুলো বন্ধ না করে, তাহলে কঠিন পদক্ষেপ নেবে মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালের ভুক্তভোগী। সুতরাং আমি কখনই এ বিষয়ে ছাড় দেব না। আপনারা জানেন, এরইমধ্যে আমি বলেছি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার অবস্থান থাকবে, তেমনি অনুমোদনবিহীন হাসপাতালের ব্যাপারেও ছাড় দেওয়া হবে না।
শিশু আয়ানের মৃত্যু প্রসঙ্গে সামন্ত লাল বলেন, শিশু আয়ানের মৃত্যু খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যতটুকু জানি আগামীকালই আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেবে। চিকিৎসায় যদি কোনো অবহেলা থাকে তাহলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে আয়ানের মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচারের দাবিসহ চার দফা দাবি নিয়ে সকালে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ ও তার পরিবার। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আয়ানের বাবা সন্তানের মৃত্যুর ঘটনার বর্ণনা দেন।
করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে এখনো করোনা যায়নি। বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তিনি করোনা বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে জনসমাগম এড়িয়ে চলা ও সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট খুব বেশি মারাত্মক না হলেও আমরা সবাই সতর্ক থাকব। আমরা এবছর এক কোটি ২৫ লাখ মানুষকে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছি। গ্যাভি (গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) থেকে টিকা আসা মাত্রই আমরা কার্যক্রম শুরু করব।

প্রবাসীদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি

0
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতা-সংগ্রামে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে প্রবাসীরা বিরাট অবদান রাখেন। প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে। সেটা ছাড়াও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে গণভবনে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, প্রবাসীরা আমাদের স্বাধীনতা-সংগ্রামে, যেকোনো আন্দোলনে অবদান রেখেছেন। যখন বাংলাদেশে মার্শাল ল জারি হয়, আমরা যখন কাজ করতে পারি না, তখন প্রবাসীরা প্রতিবাদ জানান। আপনারা আন্দোলন-সংগ্রাম করেন। জনমত সৃষ্টি করেন। এটা আমাদের জন্য বিরাট শক্তি।
তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচন হয়ে গেছে। আমি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, কারণ জনগণই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে এসেছে। কারণ বিএনপি যখন নির্বাচনে আসবে না, কেউ যাতে নির্বাচনে না আসে, কেউ যেন ভোট না দেয় এর জন্য লিফলেট বিতরণ শুরু করল। এই লিফলেট বিতরণের পরে ঘটনা উল্টো হয়ে গেল, মানুষজন আরও উৎসাহিত হলো, আমাদের ভোট দিতেই হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সেই ক্ষেত্রে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন স্বচ্ছ, সুষ্ঠু, কোনোরকম দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, একটা অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে হয়– সেই প্রচেষ্টাই আমাদের ছিল। যার কারণে একের পর এক নির্বাচনে সংস্কার আমরা নিয়ে আসি। কারণ সেনা শাসকরা যখন একের পর এক ক্ষমতা দখল করে তখন তারা নির্বাচনে ভোট কারচুপি করা শুরু করেছিল। সেই জায়গা থেকে মানুষের অধিকার মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়ার সেই আন্দোলন-সংগ্রামটাই আমরা করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উপলব্ধি করেছে সরকার জনগণের সেবক। সেই ঘোষণা জাতির পিতা দিয়েছিলেন, আমি জাতির পিতার কন্যা হিসেবে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেই ঘোষণাটাই দিয়েছি– আমি প্রধানমন্ত্রী না, জাতির জনকের কন্যা হিসেবে মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবে, যেন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি।
তিনি বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, যেটা ২০২৪ সালে কার্যকর করার কথা ছিল, সেটা আমরা দুই বছর বাড়িয়ে নিয়েছি। করোনাভাইরাসের অতিমারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, এরপর ফিলিস্তিনের ওপর হামলা, শিশু-নারী হাসপাতালে আক্রমণ করা। আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে আছি। এভাবে একটা জাতিকে ধ্বংস করা, নারীদের ধ্বংস করা, এটা এক ধরনের গণহত্যা। আমরা সাহায্য পাঠিয়েছি, আগামীতে পাঠাব। এরপর আবার ইয়মেনে আক্রমণ। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। মিয়ানমার যখন অশান্ত হলো, তারা আশ্রয় চাইল, আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি, আমরা যুদ্ধে যাইনি। কারণ আমরা শান্তি চেয়েছি।

বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ...

0
সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির...

সর্বশেষ নিউজ

বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ

0
সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি (Culture of Peace) বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির...

বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি সফর

0
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মালদ্বীপ সফর করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মালদ্বীপের ৬১তম...

জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

0
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, যানজট...

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী

0
তৈরি পোশাকশিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনাময় চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে...

জোরপূর্বক শ্রম ইস্যুতে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশি পণ্যে মোট কার্যকর হার অন্তত ২৫ শতাংশ

0
জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৪ সালের...